Advertisements

উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র, কক্সবাজার থেকে ৪৭০ কি.মি. দূরে ‘আম্ফান’

মহাশক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে কক্সবাজারে উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর। জোয়ারের পানি ৫-১০ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হয়ে আঘাত করছে ঝাউবিথীতে। এর ফলে ঢেউয়ের আঘাতে উপড়ে পড়ছে ঝাউগাছ। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মো. আবদুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পান কক্সবাজার থেকে ৪৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। যার কারণে কিন্তু ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাব ইতিমধ্যে পড়তে শুরু করেছে কক্সবাজারে।

বুধবার (২০ মে) সকাল ৬টায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর,বরগুনাসহ উপকূলীয় জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। খুলনা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ জানান, সকাল ৯টায় আবহাওয়ার বুলেটিনে বলা হয়েছে, সুপার সাইক্লোন আম্ফান মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৪৫ কিলোমিটার ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ‘এটি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে সুন্দরবন উপকূলের দিকে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মোংলা বন্দরের কাছে পৌঁছে যাবে আম্ফান। বুধবার সারা রাত ধরে আম্ফান সুন্দরবন উপকূল অতিক্রম করবে। আম্ফানের প্রভাবে গত মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বইছে দমকাসহ ঝড়ো বাতাস। সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০-১৫ ফুট অধিক উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। তিনি জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত খুলনায় ২৮ মি.মিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এদিকে মোংলা বন্দরে অবস্থানরত ১১টি পণ্যবাহী জাহাজ, নৌযান ও টুরিস্ট বোর্ড নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

Advertisements

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: