Advertisements

ঈদ উপলক্ষে আবারও কাল থেকে খুলা হচ্ছে হাসান মার্কেট। সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ ঐতিহাসিক হাসান মার্কেটআগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আজ রোববার (১৭ মে) এক বৈঠকে হাসান মার্কেটব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্ত নেন।

সবার ঘরে ঘরে আজ ঈদের আনন্দ। সরকারী ঘোষণা ঈদ উপলক্ষ্যে ‘সীমিত আকারে’ শপিং মল এবং বিপণী বিতান খোলারাখা যাবে। মানুষ যাতে ঈদের কেনাকাটা করতে পারে, পারিবারিকভাবে যাতে ঈদের আনন্দটা উদযাপন করতে পারে- এজন্যেইএই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হাততালি না দিয়ে উপায় আছে বলুন? করোনায় প্রাণ গেলে যাক, সংক্রমণ বাড়লে বাড়ুক, তবুও শপিংকরা চাই! ঈদের জামা-জুতো না কিনতে পারলে বেঁচে থাকার সার্থকতা কোথায়?

চলমান কোভিড-১৯ মহামারিতে কেনাকাটা করার সময় সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে অবশ্যই। আসুন জেনে নেই যেভাবে সংক্রমণছড়াতে পারে।

* রিকশা, ট্যাক্সি ইত্যাদি যানবাহনের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। কারণ, আপনি যেটিতে চড়ে যাতায়াত করছেন সেটিকিছুক্ষণ আগে হয়তো কোনো কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীকে বহন করেছে।

* দরদাম করে কেনাকাটায় অভ্যস্ত বাংলাদেশের মানুষকে সাধারণত অনেক কথা বলতে হয়। দোকানের বদ্ধ পরিবেশে সংক্রমণছড়াতে পারে বৈকি।

মৃত্যু ভয় নিয়ে বেঁচে থাকা বিশ্ববাসীর কাছে করোনা ভাইরাস এখন এক অভিশাপ, করোনা মুক্তি মিলতে চলছে গবেষণা, উত্তরণের উপায় ভ্যাকসিন খুজতে দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছে গবেষক দল, গৃহবন্দি জনজীবন এখন অসহ্য, দুর্বিষহ তবুওসবার মাঝে বেঁচে থাকার প্রয়াস, সুন্দর ধরণীতে নিসঃশ্বাস নিয়ে টিকে থাকার যুদ্ধ।

বাংলাদেশেও অনেক আক্রান্ত মিলেছে যাদের করোনার লক্ষণ নেই। শপিং মলে আপনিও যে, উপসর্গহীনের দ্বারা আক্রান্ত হবেননা তার গ্যারান্টি কোথায়? আবার অনেকে  যেন ভুলেই গেছে দেশজুড়ে মহামারি ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।

নিজ এবং নিজ পরিবারের নিরাপত্তা আগে- প্রতি বছর ঈদেই তো কম বেশি শপিং করেন, এই ঈদে এবার শপিং না করে সেইশপিং এর টাকাটা গরীব আত্মীয় বা অভুক্তদের বিলিয়ে দেয়া যায় না? দেখেন না, আপনার শপিং এর বেঁচে যাওয়া টাকাটা দিয়েঅন্যের বিরাট উপকারে লাগানো যায় কি না।

দেশের এই পরিস্থিতিতে কখন যে কি হয় সঠিক বলা যাচ্ছে না। শপিং এর বেচে যাওয়া কিছু টাকা যদি আপনার হাতে থাকেতাহলে সেটা ভবিষ্যতে আপনার বিপদেই কাজে আসবে।

মনে রাখবেন বর্তমান পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে থাকা মানেই পুরো পরিবারকে সংক্রমণের ঝুঁকিতে ফেলা।মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা অনেক বড় ভূমিকা রাখে। সতর্কতা অবলম্বন করুন।

সবাইকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা। ঈদের শপিং করতে গিয়ে কারও যেন এই ঈদ যেন কারো শেষ ঈদ না হয়, সেই কামনাই করি। পরিবারের শিশু ও বয়স্কদের যত্ন করুন। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন,ঘরে থাকুন,নিরাপদে থাকুন।

20181210_131841

লেখক: আবু জাফর শিহাব(এল এল বি)

(সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, এন.ইউ)

Advertisements

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: