Tuesday April20,2021


দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে সম্মিলিত ও জাতীয়ভাবে গণআন্দোলন করতে হবে। তাছাড়া অন্য কোন পথ নেই বলে জানিয়েছে গণস্বাস্থাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ  চৌধুরী। আজ রাজধানীর শিশু কল্যান পরিষদ হল রুমে ভাসানী অনুসারী পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাফরুল্লাহ বলেন, দেশে গণতন্ত্রের কবর রচিয়ত হয়েছে। ভোট লুন্ঠন, ভোট ডাকাতি হচ্ছে। এই অবস্থায় মাওলানা ভাসানী বেঁচে থাকলে যা করতেন, আমাদেরকে তাই করতে হবে। তিনি যেভাবে চিন্তা করতেন সেভাবে।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে মাওলানা ভাসানীর একটি স্মৃতিসৌধ করতে চেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। তবে তার দল এখনও বেঁচে আছে।

যদি বিএনপি জিয়াউর রহমানকে সম্মান করে, তাহলে তার কথাকেও সম্মান করা উচিত। বিএনপির উচিত প্রতি বছর মাওলানা ভাসানীকে স্মরণ করা। রাজনৈতিকভাবে  ঘোষণা করে সারাদেশে মাওলানা ভাসানীর পরিচিতি তুলে ধরা। এটা বিএনপির কর্তব্যও। বিএনপির যত বড় দলই হোক না কেন দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা একলা চলতে পারবে না। আমরা সেটাই দেখতে পাচ্ছি।

ডাকসু নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রদল পাঁচ নাম্বারে চলে এসেছে। এত বড় একটা দল তারা পাঁচ নাম্বারে চলে আসলো। এত অহংকার ভালো না। ছাত্রদলের উচিত ছিল ছাত্র ইউনিয়ন, সাধারণ ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যোগ দেয়া। অনেক সময় পিছিয়ে আসতে হয়। অন্যের নেতৃত্ব মেনে নিতে হয়। তাহলেই ভবিষ্যত উজ্জ্বল।

তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত দুর্দিন, কারণ আমরা মাওলানা ভাসানীকে ভুলে গেছি। তার আদর্শকে ভুলে গেছি। তিনি ৭২-এ দেশে ফিরে বলেছিলেন ভারত  থেকে সাবধান। কিন্তু আমরা বর্তমানে ভারতের দালালি করি। ভারতের দালালি বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে দেশে বড় বিপদ আসবে বলেও তিনি জানান।

সংগঠনের প্রেসিডিয়াম মেম্বার মো. আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে কৃষকদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও দেশ বাচাও মানুষ বাচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপনের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জিনাফ সভাপতি লায়ন মিয়া  মো. আনোয়ার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব নঈম জাহাঙ্গীর, ডেমক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান মনির, হান্নান আহমেদ খান বাবলু, কাদের সিদ্দিকী প্রমুখ।


শুদ্ধস্বর/এন.এইচ