Friday March5,2021

প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ভারতের জনপ্রিয় নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে মন্তব্য করেন, সাত সমুদ্র তের নদী পাড় হয়ে দশ বছরের ছোট নিককে বিয়ে করলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কিন্তু যদি রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফরকালে বঙ্গভবন আসতেন তাহলে অন্যরকমের কিছু ঘটতেও পারতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ  এমন মন্তব্য করেন। প্রেসিডেন্ট বিবাহিত জীবনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমি বিয়ে করেছি বিরানব্বই হাজার চারশ সেকেন্ড হয়ে গেছে। আসলে আমাদের বিয়ের ৫৪ বছর দুইদিন হয়েছে। তার কারণ কম বয়সে বিয়ে করে ফেলেছিলাম। এই ৫৪ বছরের বিবাহিত জীবনে একজন মহিলা আমার সব কিছু বুঝে ফেলেছে। আমি কী ভালো, কী মন্দ করতে পারি।

এটি কিন্তু তার কন্ট্রোলের ভিতরে। আমি যখন সাত আট বছর আগে স্পিকার ছিলাম তখন নারী নির্যাতন বিল পাস করার সময় কিন্তু সংসদে পুরুষ নির্যাতন বিল পাস করা দরকার বলেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী বললেন, এটা এখন প্রয়োজন নাই। যদি হয় তখন দেখা যাবে। প্রায় ছয় বছর চলে গেছে এখনো আইনটি পাস করে নাই। প্রধনমন্ত্রীরা তো খবর রাখেন না। শুধু আমার ঘরে না। সারা বাংলাদেশে যে পুরুষ নির্যাতন হচ্ছে না তা নয়।

কিছুটা হলেও হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা টের পাচ্ছে। উদাহরণ টেনে প্রেসিডেন্ট বলেন, কয়েক মাস আগে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফরে ঢাকায় এসেছিল। সাধারণত বিদেশি অতিথিরা ঢাকায় এলেই বঙ্গবভনে আসেন। আমি স্ত্রীকে বললাম প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আসবে। আসার একদিন আগে তাকে বলেছি। পরে শুনেছি আমার স্ত্রী নাকি প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করে বলেছে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার বঙ্গভবনে আসার দরকার কি? এটা তো ষড়যন্ত্র। শেষ পর্যন্ত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আর বঙ্গভবনে আসেনি। তার কয়েকমাস পরে শুনলাম আমেরিকায় নিক নামে তার চেয়ে দশ বছরের ছোট এক ছেলেকে বিয়ে করেছে প্রিয়াঙ্কা। আমি তার চেয়ে ৩০/ ৩৫ বছরের বড়। তো দশ-বারো বছরের নিচে যদি সে নামতে পারে। তাহলে তো ৩০, ৩৫, ৪০ বছরেরও ওপরেও তো সে উঠতে পারতো। এ রকম সুযোগ নষ্ট করা ঠিক হয় নি। অন্তত এই উপমহাদেশের একটা মেয়ে যদি আসতো, কোনো ঘটনা ঘটতো তাহলে তো সুদূর সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে তাকে আমেরিকায় নাও যেতে হতো। সবই কপাল।