Wednesday March3,2021

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভায় অংশ নিতে আসা নেতাকর্মীদের মধ্যে থেকে ৪৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এর মধ্যে শাহবাগ থানায় ৩৫ জন ও রমনা থানায় ১৫ জনকে আটকের কথা স্বীকার করেছে পুলিশ।

শাহবাগ থানার এসআই ভোজন কুমার সরকার জানান, সমাবেশ ও আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপির ৩৫ নেতাকর্মীকে নিয়ে আসা হয়েছে। আটকদের তালিকা তৈরি হচ্ছে। তবে কী কারণে তাদের আটক করা হয়েছে এ বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেন নি।

এদিকে বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম।

তিনি জানান, রোববার দুপুরের পর তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা সবাই থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মী।

কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে মৎস্য ভবন মোড়ে দলীয় সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

তবে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা থেকে বের হয়ে আসা নেতাকর্মীদের ‘অভিনব’ কায়দায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তাদের দাবি, বিকাল সাড়ে তিনটার পর মৎস্য ভবনের সামনে দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা শিল্পকলা একাডেমি হয়ে সেগুনবাগিচার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পুলিশ দুই দফায় বিএনপির ২৫-৩০ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। তাছাড়া সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ সদস্যরাও বিএনপির বেশকিছু নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বলে দলটির অভিযোগ।

গ্রেফতার এক বিএনপি কর্মীকে গাড়িতে তোলা হচ্ছে

খিলগাঁও থানা ছাত্রদল কর্মী শাহাদাত হোসেন বলেন, তারা কয়েকজন জনসভাস্থল থেকে বের হয়ে শিল্পকলা একাডেমির পাশ দিয়ে বিজয়নগরের দিকে যাচ্ছিলাম। এমন সময় শিল্পকলা একাডেমির পূর্ব পাশে হাঠাৎ নেতা-কর্মীদের গাড়িতে তুলতে শুরু করে পুলিশ। এ সময় আমরা শিল্পকলার দক্ষিণ গেটের দিকে চলে যাই। পরে আটকদের নিয়ে পুলিশ ভ্যান থানার দিকে চলে যায়।

শান্তিনগর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হারুন অর রশীদ বলেন, বিশেষ কায়দায় পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছে। রাস্তা দিয়ে সদলবলে যাওয়া বিএনপি কর্মীদের দিকে পুলিশ সদস্যরা স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে যান। জানতে চান, জনসভায় লোকসমাগম কেমন হয়েছে বা জনসভা শেষ কিনা। যারাই এ বিষয়ে জবাব দিয়েছেন, তাদেরই গ্রেফতার করা হয়েছে। সুত্র : যুগান্তর